1. admin@notunshomoy24.com : admin :
  2. darinpapathanasopoulos7833@anonmails.de : troy34953554 :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

লন্ডন শহর ছাড়ছেন বাসিন্দারা!

প্রতিনিধির নাম
আপডেট সময় : ০৪:০৯:৩০ পিএম, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩
  • / 51
  • সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

    স্বপ্নরাজ্য যুক্তরাজ্য। উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা নীল জলের সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঠিকানা করে নেন যুক্তরাজ্যে। ইউরোপের এই দেশে নানাবিধ সুবিধা থাকায় শেষ আভাসস্থল গড়ে তুলেন স্বপ্নবিলাসি মানুষেরা!

    প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের উন্নত জীবন গড়ার লক্ষ্য নিয়েই অনেকের কাছে যুক্তরাজ্য হয়ে ওঠে স্বপ্নবিলাসি দেশ কিংবা শহর। এর মধ্যে বসবাসের জন্য বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডনেই প্রথমে বাসা ভাড়া করে নেন; আর তখন থেকেই শুরু হয় স্বপ্নরাজ্যে বসবাস।

    কয়েক যুগ ধরে দ্রব্যের দাম সহনীয় থাকায় আয়েশি জীবন-যাপন করেন বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে আসা নাগরিকরা।
    কিন্তু গেল বৈশি^ক মহামারি করোনার ছোবলে স্বপ্ন দেশ যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে।

    এমনকি ইউরোপের সবক‘টি দেশেও মহামারি করোনার থাবায় অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে! এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যুক্তরাজ্যের সমৃদ্ধ অর্থনীতিতে চোখ রাঙায়Ñসাধারণ নাগরকিরাও হিমশিম খান দৈনন্দিন জীবনে; ব্যয় বাড়তে থাকে সব সেক্টরে।

    নিত্যপণ্য ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের হু হু করে মূল্য বৃদ্ধির ফলে নাগরিক জীবনে বিড়ম্বনা শুরু হয়। এছাড়া যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডনের বাসা-বাড়ির ভাড়াও বাড়তে থাকে। তাই ভাড়াটিয়ারা হিমশিম খাচ্ছেন ব্যয় সামলাতে। তাই লন্ডন শহরের সিংহভাগ বাসিন্দা ব্যয় সামাল দিতে লন্ডন শহর থেকে ছুটছেন ছোট ছোট শহরে। বেশ কয়েকটি সংস্থার জরিপের সূত্র থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    ওই সংস্থাগুলোর জরিপ বলছে, ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডন থেকে বাসিন্দাদের স্থানান্তরের সংখ্যা ছিল ২৮ শতাংশ। ২০২১ সালে স্থানান্তরের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ শতাংশে এবং ২০২২ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮০ শতাংশ। মূলত বাসা-বাড়ির ভাড়া বাড়া এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির গতির ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি।

    একটি দাতব্য সংস্থার জরিপে দেখা যায়, ৪টি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবারের ক্রয় ক্ষমতা কমে যায়। একই জরিপ বলছে, ৪০ শতাংশ পরিবারে মাস শেষে তাদের কাছে পর্যাপ্ত টাকা থাকে না। এ জরিপ করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও লিটল ভিলেজ সংস্থা।

    এছাড়া লন্ডন শহর থেকে বাসিন্দা স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে জরিপ চালায় টুগেদার টু দিস ক্রাইসিস। এ সংস্থার জরিপেও এমন তথ্য উঠে আসে।

    লন্ডন শহরের বাসিন্দা এম রহমান রিপন বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে বাসা-বাড়ির ভাড়াও। ফলে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে পারছেন না বাসিন্দরা। তাই অনেক বাসিন্দাই স্বচ্ছন্দ জীবনের জন্য ব্যয় বহুল শহর লন্ডন থেকে স্থানান্তরিত হয়ে ছোট ছোট শহরের দিকে ঝুকছেন। একই কথা বলেন লন্ডন শহরের বাসিন্দা দেওয়ান বেলাল আহমদ চৌধুরীও।

    নিউজটি শেয়ার করুন

    আপলোডকারীর তথ্য

    লন্ডন শহর ছাড়ছেন বাসিন্দারা!

    আপডেট সময় : ০৪:০৯:৩০ পিএম, বুধবার, ২২ মার্চ ২০২৩

    স্বপ্নরাজ্য যুক্তরাজ্য। উন্নত জীবনের স্বপ্নে বিভোর বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা নীল জলের সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ঠিকানা করে নেন যুক্তরাজ্যে। ইউরোপের এই দেশে নানাবিধ সুবিধা থাকায় শেষ আভাসস্থল গড়ে তুলেন স্বপ্নবিলাসি মানুষেরা!

    প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের উন্নত জীবন গড়ার লক্ষ্য নিয়েই অনেকের কাছে যুক্তরাজ্য হয়ে ওঠে স্বপ্নবিলাসি দেশ কিংবা শহর। এর মধ্যে বসবাসের জন্য বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডনেই প্রথমে বাসা ভাড়া করে নেন; আর তখন থেকেই শুরু হয় স্বপ্নরাজ্যে বসবাস।

    কয়েক যুগ ধরে দ্রব্যের দাম সহনীয় থাকায় আয়েশি জীবন-যাপন করেন বিভিন্ন দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে আসা নাগরিকরা।
    কিন্তু গেল বৈশি^ক মহামারি করোনার ছোবলে স্বপ্ন দেশ যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়ে।

    এমনকি ইউরোপের সবক‘টি দেশেও মহামারি করোনার থাবায় অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব ফেলে! এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ যুক্তরাজ্যের সমৃদ্ধ অর্থনীতিতে চোখ রাঙায়Ñসাধারণ নাগরকিরাও হিমশিম খান দৈনন্দিন জীবনে; ব্যয় বাড়তে থাকে সব সেক্টরে।

    নিত্যপণ্য ও বিদ্যুৎ-গ্যাসের হু হু করে মূল্য বৃদ্ধির ফলে নাগরিক জীবনে বিড়ম্বনা শুরু হয়। এছাড়া যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডনের বাসা-বাড়ির ভাড়াও বাড়তে থাকে। তাই ভাড়াটিয়ারা হিমশিম খাচ্ছেন ব্যয় সামলাতে। তাই লন্ডন শহরের সিংহভাগ বাসিন্দা ব্যয় সামাল দিতে লন্ডন শহর থেকে ছুটছেন ছোট ছোট শহরে। বেশ কয়েকটি সংস্থার জরিপের সূত্র থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    ওই সংস্থাগুলোর জরিপ বলছে, ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যের রাজধানী শহর লন্ডন থেকে বাসিন্দাদের স্থানান্তরের সংখ্যা ছিল ২৮ শতাংশ। ২০২১ সালে স্থানান্তরের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ শতাংশে এবং ২০২২ সালে এ সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮০ শতাংশ। মূলত বাসা-বাড়ির ভাড়া বাড়া এবং দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির গতির ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি।

    একটি দাতব্য সংস্থার জরিপে দেখা যায়, ৪টি পরিবারের মধ্যে একটি পরিবারের ক্রয় ক্ষমতা কমে যায়। একই জরিপ বলছে, ৪০ শতাংশ পরিবারে মাস শেষে তাদের কাছে পর্যাপ্ত টাকা থাকে না। এ জরিপ করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও লিটল ভিলেজ সংস্থা।

    এছাড়া লন্ডন শহর থেকে বাসিন্দা স্থানান্তরের বিষয়টি নিয়ে জরিপ চালায় টুগেদার টু দিস ক্রাইসিস। এ সংস্থার জরিপেও এমন তথ্য উঠে আসে।

    লন্ডন শহরের বাসিন্দা এম রহমান রিপন বলেন, নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার পাশাপাশি বেড়েছে বাসা-বাড়ির ভাড়াও। ফলে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রাখতে পারছেন না বাসিন্দরা। তাই অনেক বাসিন্দাই স্বচ্ছন্দ জীবনের জন্য ব্যয় বহুল শহর লন্ডন থেকে স্থানান্তরিত হয়ে ছোট ছোট শহরের দিকে ঝুকছেন। একই কথা বলেন লন্ডন শহরের বাসিন্দা দেওয়ান বেলাল আহমদ চৌধুরীও।